ভূমিকা
বই কুটির কলকাতা একটি মঞ্চ। যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৫ই আগস্ট ২০২০-র মহামারী আবহের মধ্যে দিয়ে। এরপর শৈশব থেকে কৈশোরের দিকে পদার্পণ বই কুঠির কলকাতার। দেখতে দেখতে সাততম সংখ্যায় উপনীত হলো আমাদের এই বকুক। পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে আমাদের উদ্দীপনার শেষ নেই। আপনাদের উৎসাহ ও সহায়তার মধ্যে দিয়ে আমাদের মানসিক দৃঢ়তা আজ শিখর লাভ করেছে। শুধুমাত্র বড়দের জন্য নয়, বই কুটির কলকাতা পৌঁছে যেতে পেরেছে ছোটদের মধ্যেও। তারই উদাহরণ “ছোটদের শীতকালীন সংখ্যা ১৪২৮" (প্রথম সংস্করণ)। এই বছর আবার প্রকাশিত হতে চলেছে “ছোটদের শীতকালীন সংখ্যা ১৪২৯"। শুধুমাত্র গল্প নয়, কবিতা নয় আমাদের সংখ্যাটি পরিপূর্ণতা লাভ করেছে অনেক চিত্রশিল্পীদের নিজ হাতে আঁকা ছবির মধ্যে দিয়ে। তাই এই অনুভূতিকে সঙ্গে করে ও বাগদিবির আরাধনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে আমাদের এই সংখ্যাটি তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র অপরিণত থেকে পরিণত শিল্পীদের হাতে আঁকা ছবি দিয়ে। যেখানে থাকছে বয়স ভিত্তিক অঙ্কন প্রতিযোগিতা। কিন্তু শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা নয়, বহু শিল্পীর আত্মপ্রকাশেরও অন্যতম প্রকাশ্য মঞ্চ। এই কারণবশত প্রতিযোগীদের ঊর্ধ্বসীমা ১৮ বছর থাকলেও নিম্নসীমা শূণ্য রাখা হয়েছে। কারণ আমরা মনে করি প্রত্যেক মানুষেরই এই পৃথিবীতে জন্ম হয় তাদের শৈল্পিক সত্তা সমেত। শুধুমাত্র অভাব লক্ষ্য করা যায় একটি মঞ্চের। আমরা আশা করব আগামী দিনে আপনাদের বই খুটির কলকাতা হয়ে উঠবে অনেক উদীয়মান লেখক, লেখিকা ও শিল্পীদের আত্মপ্রকাশের মঞ্চ। এবং বাংলা সাহিত্য জগতে যুক্ত হবে নতুন পালক।



